সাধারণ সদস্যপদের বাইরে গিয়ে h444 ভিআইপি হওয়ার মানে হলো একটি আলাদা স্তরের অভিজ্ঞতা – ব্যক্তিগত ম্যানেজার, বড় ক্যাশব্যাক, দ্রুত উইথড্র আর গেমিং জগতের সেরাটা উপভোগ করা।
h444-এ যখন আপনি নিয়মিত খেলেন এবং একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জন করেন, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনি ভিআইপি প্রোগ্রামে প্রবেশ করেন। এটি কোনো আলাদা আবেদনের ব্যাপার নয় – h444 নিজেই আপনার খেলার ইতিহাস দেখে আপনাকে যোগ্য স্তরে স্থান দেয়।
ভিআইপি হওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো আপনি অনেক কিছু পান যা সাধারণ সদস্যরা পান না। শুধু বোনাসের কথাই না, বলছি অভিজ্ঞতার কথা। একজন ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার যে আপনার সমস্যা নিজে সামলায়, উইথড্রে আলাদা অগ্রাধিকার, বিশেষ টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ – এই পার্থক্যগুলো দৈনিক খেলার অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ আলাদা করে তোলে।
h444-এর ভিআইপি প্রোগ্রামে মোট পাঁচটি স্তর আছে – সিলভার থেকে শুরু করে ডায়মন্ড পর্যন্ত। প্রতিটি স্তরে সুবিধার পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছানো মানে h444-এর সবচেয়ে প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা পাওয়া।
প্রতিটি স্তরে নতুন সুবিধা যোগ হয় – কোনো সুবিধা বাদ যায় না, কেবল বাড়তে থাকে।
h444-এ প্রতিটি ৳১০ রিয়েল মানি বেটে ১টি ভিআইপি পয়েন্ট পাওয়া যায়। বোনাস মানি দিয়ে করা বেট সাধারণত পয়েন্ট তৈরি করে না। পয়েন্টের হিসাব অ্যাকাউন্টে লাইভ দেখা যায়।
h444 ভিআইপি হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো সুবিধাগুলো বাস্তবিক এবং পরিমাপযোগ্য। কাগজে-কলমে বড় বড় কথা নয়, বরং প্রতিটি সুবিধা সরাসরি আপনার গেমিং অ্যাকাউন্টে প্রতিফলিত হয়।
প্রতি সপ্তাহে নেট লসের উপর নির্দিষ্ট হারে ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। গোল্ড থেকে ১০%, এলিট ডায়মন্ডে ৩০% পর্যন্ত।
গোল্ড স্তর থেকে একজন নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাবেন যিনি সব সমস্যায় সরাসরি সাহায্য করবেন।
ভিআইপি সদস্যদের উইথড্র সাধারণ সারির আগে প্রক্রিয়া হয়। এলিট স্তরে মাত্র ১৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়।
সাধারণ সদস্যদের তুলনায় ভিআইপিরা অনেক বেশি ডিপোজিট ও উইথড্র করতে পারেন প্রতিদিন।
শুধু ভিআইপি সদস্যদের জন্য বিশেষ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় যেখানে পুরস্কার অনেক বেশি।
জন্মদিনে, বিশেষ দিনে এবং নিয়মিত অনুগত্য পুরস্কার হিসেবে বোনাস ও উপহার পাওয়া যায়।
কোন স্তরে কী সুবিধা পাওয়া যায় এক নজরে দেখুন।
| সুবিধা | সিলভার | গোল্ড | প্ল্যাটিনাম | ডায়মন্ড | এলিট |
|---|---|---|---|---|---|
| ক্যাশব্যাক | ৫% | ১০% | ১৫% | ২০% | ৩০% |
| দৈনিক উইথড্র সীমা | ৳৫০,০০০ | ৳১,০০,০০০ | ৳২,০০,০০০ | ৳৫,০০,০০০ | আনলিমিটেড |
| উইথড্র সময় | ৩০ মিনিট | ২০ মিনিট | ১৫ মিনিট | ১০ মিনিট | ৫ মিনিট |
| ডেডিকেটেড ম্যানেজার | |||||
| এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্ট | |||||
| ফোন সাপোর্ট | |||||
| কাস্টম বোনাস |
* সুবিধার বিবরণ পরিবর্তন হতে পারে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য অ্যাকাউন্ট ড্যাশবোর্ড দেখুন।
h444 ভিআইপি হওয়া কঠিন নয়। শুধু নিয়মিত খেলতে থাকুন এবং পয়েন্ট জমান। কিছু বিশেষ ইভেন্টে দ্বিগুণ পয়েন্টের সুযোগও থাকে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
প্রথমে h444-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন। নতুন সদস্যরা সরাসরি ভিআইপি ট্র্যাকে প্রবেশ করেন।
যেকোনো গেমে খেলুন। প্রতি ৳১০ রিয়েল বেটে ১ পয়েন্ট জমে। স্লটে ২x পয়েন্ট।
অ্যাকাউন্ট ড্যাশবোর্ডে লাইভ পয়েন্ট ব্যালেন্স ও পরবর্তী স্তর পর্যন্ত বাকি দেখতে পাবেন।
স্তরের পয়েন্ট পার হলে h444 স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার স্তর আপগ্রেড করে এবং সুবিধাগুলো সক্রিয় হয়।
আপগ্রেডের সাথে সাথেই ক্যাশব্যাক, বোনাস ও অন্যান্য ভিআইপি সুবিধা চালু হয়ে যায়।
স্লট গেমে ২x পয়েন্ট পাওয়া যায়। বোনাস পয়েন্ট ইভেন্টে ৩x পর্যন্তও সম্ভব।
একটি স্তরে পৌঁছালে পরবর্তী ৩ মাস সেই সুবিধা অক্ষুণ্ণ থাকে, কোনো চাপ নেই।
একটি স্তরে পৌঁছানোর পর নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে পয়েন্ট না থাকলেও তাৎক্ষণিক ডাউনগ্রেড হয় না।
স্তর আপগ্রেড বা ডাউনগ্রেডের আগেই h444 আপনাকে অবহিত করে।
নিচের উদাহরণে দেখুন সিলভার থেকে গোল্ডে যেতে আর কত পয়েন্ট বাকি:
গোল্ড স্তরে পৌঁছাতে আর মাত্র ৭,৫০০ পয়েন্ট প্রয়োজন।
অনেকেই ভাবেন ভিআইপি মানে শুধু বোনাসের সংখ্যা বেশি। কিন্তু h444-এ ভিআইপি হওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকটা আলাদা। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা অনুভব হয় যখন কোনো সমস্যা হয় – একজন ডেডিকেটেড ম্যানেজার থাকা মানে আপনাকে সাধারণ সাপোর্ট কিউতে অপেক্ষা করতে হয় না।
উইথড্রের ক্ষেত্রেও পার্থক্যটা স্পষ্ট। ডায়মন্ড বা এলিট স্তরের সদস্যরা যখন উইথড্র করেন, তখন প্রক্রিয়াটি মাত্র ৫–১০ মিনিটে সম্পন্ন হয়। রাতের বেলা বড় জয়ের পরে দ্রুত টাকা পাওয়ার যে স্বস্তি, সেটা ভিআইপি সদস্যরাই জানেন।
এছাড়া h444 ভিআইপি সদস্যদের জন্য বিশেষ মৌসুমী অফার, ছুটির দিনের বোনাস এবং বিশেষ লয়্যালটি পুরস্কার প্রোগ্রাম চালু থাকে। এই অফারগুলো সাধারণ সদস্যদের জন্য উপলব্ধ নয়।
নিবন্ধন করুন, খেলুন এবং পয়েন্ট জমান। প্রথম ডিপোজিটের পর থেকেই ভিআইপি পয়েন্ট গণনা শুরু হয়।